কেশবপুরে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজে অগ্নিকান্ড; ইউএনওর সাহসিকতায় বেঁচে গেল দু’শিশুসহ গৃহবধূ

আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ, কেশবপুর (যশোর)॥

যশোরের কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কবির হোসেনের সাহসিকতায় আগুন থেকে বেঁচে গেল দু’শিশুসহ এক গৃহবধূ। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ড থেকে রক্ষা পেয়েছেন ওই ভবনের ৭টি পরিবার। রান্নার সময় গ্যাস সিলিন্ডারে লিকেজের কারণে ওই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।

সরেজমিনে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে শহরের আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে জেডিসি পরীক্ষা পরিদর্শনে আসেন ভারপ্রাপ্ত ইউএনও কবির হোসেন। সাড়ে ১১ টার দিকে মাদ্রাসার পিছনে গোলাম মোস্তফা মন্টুর মালিকাধীন ভবনে এক গৃহবধূর আগুন-আগুন চিৎকার শুনে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। ঐ ভবনে অগ্নিকান্ডের প্রচুর ধোঁয়া ও আগুন উপেক্ষা করে তিনি ভাড়াটিয়া সোহেল রানা শিমুলের ফ্লাটে ঢুকে তার স্ত্রী শামিমা ইসলাম মুন্নি, তাদের মেয়ে মিমিশা (৬) ও ছেলে মাহিন (৩)কে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। তিনি দ্রুত কেশবপুর বিদ্যুৎ অফিস ও মনিরামপুর ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনে সংবাদ দেন। এরপর স্থানীয়দের সাথে নিয়ে মাদ্রাসার গেট থেকে বালি ও ওই ভবনের ট্যাংকের পানি দিয়ে আগুন নেভানোর কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন।

মনিরামপুর ফায়ার সার্ভিসের ৯ সদস্যের টিমসহ অগ্নি নির্বাপক গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই তিনি আগুন নেভাতে সক্ষম হন। ততক্ষণে ওই বাসার আসবাবপত্রসহ লক্ষাধিক টাকার বিভিন্ন জিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়েছে বলে গৃহকত্রী জানান।

ইউএনও মোঃ কবীর হোসেন বলেন, ওই ভবনে ৭ পরিবারের প্রায় ৩৫ জন মানুষ বসবাস করে। নারী ও শিশুরা তাদের বাসাতেই ছিল। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণ এবং বড় ধরণের ক্ষতি থেকে রক্ষা হয়েছে।

নিম্নমানের গ্যাস সিলিন্ডারের কারণে এমন সমস্যা হতে পারে বলে ফায়ার সার্ভিসের টিমলিডার আজমল হোসেন জানান। খবর পেয়ে পৌর সভার মেয়র রফিকুল ইসলাম মোড়ল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

You May Also Like