শনিবার সাগরদাঁড়ির কপোতাক্ষ তীরে শুরু হয়েছে মধুকবির স্মরণে ঐতিহ্যবাহী মধুমেলা

নাহিদ ইসলাম ||

বাংলার নবজাগরণ সাহিত্যের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯৪ তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে সাগরদাঁড়ির কপোতাক্ষ তীরে শনিবার শুরু হয়েছে সপ্ত্যাহব্যাপী ঐতিহ্যবাহী মধুমেলা।

বাংলা অমিত্রাক্ষর ছন্দের(সনেট) প্রবর্তক ও আধুনিক বাংলা নাটকের জনক মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ খ্রিষ্টাব্দের ২৫ জানুয়ারি যশোরের অদূরে কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। মধুকবির স্মরণে প্রতিবছর তাঁর স্মৃতিবিজড়িত পৈতৃক নিবাস সংলগ্ন স্থানে অনুষ্ঠিত হয় মধুমেলা।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতা ও যশোর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ২০ জানুয়ারি বিকালে প্রধান অতিথি হিসেবে এ বছরের মেলা উদ্বোধন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক, সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলাম, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া, যশোর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিকুল, যশোরের পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান পিপিএম, যশোর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান এইচ এম আমির হোসেন, কেশবপুর পৌর সভার মেয়র রফিকুল ইসলাম, যশোর ইন্সটিটিউটের সাধারণ সম্পাদক শেখ রবিউল আলম, যশোর প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম রুহুল আমীন, সুফলাকাটি ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ, সাগরদাঁড়ি ইউপি চেয়ারম্যান কাজী মোস্তাফিজুল ইসলাম প্রমুখ

সপ্তাহব্যাপী মেলা উপলক্ষে জেলা প্রশাসন, কেশবপুর উপজেলা প্রশাসন ও মধুসূদন একাডেমী সাগরদাঁড়িতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এ বছরের মেলায় থাকছে কবির সৃষ্টি ও সাহিত্য কর্মের উপর দেশ-বিদেশী কবি সাহিত্যিকদের অংশগ্রহণে আলোচনা সভা, কবির প্রতিকৃতিতে মাল্যদান, আবৃত্তি, মধুগীতি পরিবেশনা, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

এছাড়াও রয়েছে কৃষকদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য প্রদর্শণ, কুঠির শিল্প, গ্রামীণ পসরার পাশাপাশি সার্কাস।

You May Also Like