বাংলা সাহিত্যে সুদিপ্ত প্রতিভার নাম মধুসূদন – মধুমেলার উদ্বোধনী বক্তৃতায় খন্দকার মোশাররফ

আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ,কেশবপুর (যশোর) ॥

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, বাংলা সাহিত্যে এক বিষ্ময়কর সুদিপ্ত প্রতিভার নাম মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। এ কারণেই সাগরদাঁড়ি ধন্য। বাংলা সাহিত্যে সনেট রচনার মাধ্যমে তিনি আধুনিকতার নতুন দিক উন্মোচন করেন। মধুসূদন দত্ত উপলব্ধি করেছিলেন মাতৃভাষা ছাড়া প্রতিভা বিকাশ সম্ভব নয়। তাই তিনি দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে মাতৃভাষায় সাহিত্য চর্চা শুরু করেন। সেই থেকে শুরু হয় বাংলা সাহিত্যের জাগরণ। শনিবার সন্ধ্যায় মহাকবির জন্মস্থান সাগরদাঁড়ির মধুমঞ্চে মধুমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯৪ তম জম্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় যশোর জেলা প্রসাশন ওই মেলার আয়োজন করেন। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রালয়ের মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক এমপি ফিতা কেটে, কবুতর ও বেলুন উড়িয়ে মধুমেলার উদ্বোধন করেন।

এরপর মধুমঞ্চে মেলা উদযাপন কমিটির সভাপতি যশোরের জেলা প্রশাসক মো. আশরাফ উদ্দিনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক, সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলাম, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া, যশোর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিকুল, যশোরের পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান পিপিএম, যশোর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান এইচ এম আমির হোসেন, কেশবপুর পৌর সভার মেয়র রফিকুল ইসলাম। আরও বক্তব্য রাখেন বক্তব্য রাখেন যশোর ইন্সটিটিউটের সাধারণ সম্পাদক শেখ রবিউল আলম, যশোর প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম রুহুল আমীন, সুফলাকাটি ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ, সাগরদাঁড়ি ইউপি চেয়ারম্যান কাজী মোস্তাফিজুল ইসলাম প্রমুখ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক এমপি বলেন, মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যকে মধ্যযুগ থেকে আধুনিক যুগে নিয়ে আসেন। তিনি ভিন্ন চিন্তা চেতনায় মানব প্রীতি ও মানব মহিমাকে তার সাহিত্যে তুলে ধরেছেন এবং বাঙ্গালী চেতনাকে জাগ্রত করেন।

এবারের মেলায় যাত্রা, সার্কস, মৃত্যুকুপ, নাগরদোলা ছাড়াও কুঠির শিল্প ও গ্রামীন পসরার ৫ শতাধিক স্টল বসেছে।

You May Also Like