ঠেকানো গেলো না রুনার বাল্য বিয়ে

আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ ॥

সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের মধ্যেও বাল্য বিয়ের অভিশাপ থেকে কোনভাবেই মুক্ত করা যাচ্ছে না কেশবপুর উপজেলাকে। প্রশাসনিক পদেক্ষেপের অভাবে এ উপজেলায় স্কুল পড়ুয়া অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েরা অহরহ বাল্য বিয়ের শিকার হচ্ছেন। যার ফলে একের পর এক গোপনে ও  প্রকাশ্যে বাল্য বিয়ের ঘটনা ঘটে চলেছে। স্কুল, কলেজ, পরিবার ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের মেম্বর ও চেয়ারম্যানদের  সহযোগীতা এবং স্থানীয় কাজীদের অনিয়মের বিরুদ্ধে কার্যকরী কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না হওয়ায় তারা অনেকটাই বেপরোয়া হয়ে এই কাজ করে চলেছেন।

জানা গেছে, উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের চাঁদডাঙ্গী শ্রীফলা গ্রামের জোবান আলী সরদারের মেয়ে কালিয়ারই এস বি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী রুনা খাতুন (১৩) এর বিয়ে ঠিক করা হয় পারিবারিকভাবেই। প্রাপ্ত বয়স না হওয়ায় সুকৌশলে বুধবার ডুমুরিয়া উপজেলার  গোগরুস্তমপুর গ্রামের আইয়ুব সরদারের ছেলে জুয়েল সরদারের সাথে বিয়ে দেয়া হয়। ঘটনাটি উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা শেফা ও মজিদপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবু বকর আবুকে বিষয়টি অবগত করার পরও রুনা খাতুনের  বিয়ে ওই ছেলের সাথে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে।

এ রকম ঘটনা শুধু চাঁদডাঙ্গী গ্রামে ঘটছে তা নয় কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলার ফলে উপজেলা জুড়ে চলছে বাল্য বিয়ের কার্যক্রম।

You May Also Like