শতবর্ষী গাছের ঝুঁকিতে বসুন্তিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও পথচারীরা

পরেশ দেবনাথ (মঙ্গলকোট) ||

কেশবপুর উপজেলার বসুন্তিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমানায় চলার পথে শতবর্ষী শিমূল গাছের মৃত্যু হওয়ায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বিপদের ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে। পথচারীরা শংকিত। বিদ্যালয়ের পূর্ব-দক্ষিণ কোণে তিন রাস্তার সংযোগস্থলে শতবর্ষী একটি শিমূল গাছ আছে যা প্রায় বছর খানেক আগে মারা গেছে। সম্পূর্ণ শুকিয়ে গাছটির  বাকল উঠে যাচ্ছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাসনা রাণী সরকার বলেন, রৌদ্র-বর্ষায় গাছের ডালপালা খসে খসে পড়ছে, ফলে যে কোন মুহূর্তে ডালপালা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাথায় পড়ে বিপদের কারণ হতে পারে। ইতিমধ্যে মালবাহি ট্রাকের ধাক্কায় গাছের একটি ডাল ভেঙ্গে পড়েছে। আমরা কেশবপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে জানিয়েছি। তিনি বলেছেন ম্যানেজিং কমিটি ডেকে একটা রেজুলেশন করে গাছটির ডালপালাগুলো কেটে ফেলতে। গাছ মারার আদেশ আমরা দিতে পারি না।

বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও মঙ্গলকোট আদর্শ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন, ২০১৮ সালের প্রথম দিকে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেকের হস্তক্ষেপে রাস্তা তিনটি পাকাকরণ হওয়ায় লোক চলাচল তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিদিন শত শত লোক এই রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করে থাকেন। গাছটির ডাল ভেঙ্গে পড়লে পথচারীরা ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারেন।

বসুন্তিয়া গ্রামের পীর আলী সরদার বলেন, আমার বয়স ৭০ বছর, আমি এই বিদ্যালয়ে পড়েছি। বিদ্যালয়টি বসুন্তিয়া মান্দার তলা স্কুল নামে পরিচিত ছিল। গাছটির বয়স একশত বছরের উপরে ছাড়া কম নয়।  তিনি গাছটি কেটে ফেলে আর একটি নতুন গাছ লাগানোর পরামর্শ দেন।

বিদ্যালয়ের পাশে বাড়ি সুভাষ কুমার রায় বলেন, আমার বয়স ৭৫ বছর। আমি এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন ৪/৫ বার চলাচল করে থাকি।

You May Also Like