কেশবপুরে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো বাল্য বিয়ে

কেশবপুর নিউজ ডেস্ক ||

বিয়ের রান্নাসহ সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন। শুধু বর আসতে বাকি। কিন্তু বাদ সাধলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা। তিনি উপস্থিত হয়ে বিয়ে ভেঙ্গে দিলেন। আর বাল্য বিবাহ থেকে রক্ষা পেল এক মেধাবী কিশোরী। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার কেশবপুর উপজেলার মেহেরপুর গ্রামে ।

বৃহস্পতিবার ছিলো মেহেরপুর দাখিল মাদ্রাসার ক্লাস নাইনের মেধাবী ছাত্রী আছিয়া খাতুন টুম্পার বিয়ে। সে কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নের মেহেরপুর গ্রামের আসাদ গাজীর মেয়ে।

টুম্পার অভিযোগ, তার বাবার অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে পরিবার তাকে এ বিয়েতে রাজি করিয়েছে। সে লেখা পড়া আরো চালিয়ে যেতে চায়। ছাত্রীর বাবার দাবি এলাকার বখাটেরা মেয়েটিকে উত্যক্ত করে বলে এ বিয়ের আয়োজন করা হয়েছে। বিয়েতে প্রায় শতাধিক মানুষের খানাপিনার আয়োজন করা হয়। বাল্য বিয়ের খবর পেয়ে বিয়ে বাড়িতে থানা পুলিশের সহায়তায় সকাল থেকেই অবস্থান নেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা শেফা।  তিনি ছাত্রীর বাবার কাছ থেকে বাল্য বিবাহ দেবেনা মর্মে মুচলেকা নিয়ে বিয়ে অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেন। তাকে সহায়তা করেন চিংড়া পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক বাদশা হোসেন।

এ বিষয়ে কেশবপুর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা শেফা জানান, ওই ছাত্রীকে আমাদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণমূলক কর্মসূচীর আওতায় এনে তার দক্ষতা বৃদ্ধি করা হবে। তার পড়াশুনা চালিয়ে যেতেও সহায়তা করা হবে। বিয়ের অনুষ্ঠানের কিছু খাবার মাদ্রাসার এতিম শিশুদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।

You May Also Like