কেশবপুরে প্রচন্ড শীত উপেক্ষা করে চলছে বোরো ধানের চারা রোপনের মহোৎসব

জি. এম. মিন্টু, কেশবপুর (যশোর) ||

পৌষ-মাঘ মাস বাংলাদেশের ঋতু বৈচিত্রে শীতকাল। কৃষিপ্রধান বাংলাদেশের কৃষকের জন্য বোরো ধানের চারা রোপনের সুবর্ণ সময় এই শীতকাল, তাই বিরামহীন কুয়াশা আর প্রচন্ড শীতকে উপেক্ষা করে কেশবপুরের কৃষকরা বোরো ধানের চারা রোপনে ব্যাস্ত সময় পার করছে।

শীতের মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই শুরু হয় বীজতলা তৈরীর কাজ। উচু জায়গায় বীজতলা তৈরীর জন্য উপযোগী না হওয়ায় কৃষকরা নিচু জায়গায় বীজতলা তৈরী করে ভাল মানের চারা উৎপাদন করে থাকে। আগাম তৈরী বীজতলা থেকে এবারো কেশবপুরের কৃষকরা শীতের শুরুতেই আগাম চারা রোপনের কাজ শুরু করেছে। যার ফলে কৃষকরা কালবৈশাখীর ভয়াল থাবা থেকে তাদের কষ্টার্জিত ফসল আগে ভাগে কেটে ঘরে তুলতে পারবে। কেশবপুরের প্রত্যন্ত অঞ্চল জুড়ে তাই এখন চলছে বোরো ধানের চারা রোপনের মহোৎসব।

অতিবৃষ্টি ও বন্যার পানিতে কেশবপুরের অধিকাংশ গ্রাম পানিবন্ধী হয়ে পড়ে। বহু নীচু আবাদী জমি পানিতে তলিয়ে যায়। আর তলিয়ে যাওয়ার কারণে এসব জমিতে পলি পড়ে উর্বর শক্তি বৃদ্ধি পাওয়ার বেশি সম্ভবনা থাকে। সেই সাথে এসব জমিতে বাম্পার ফলন হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। তাই এসব জমিতে ধানের চারা রোপন করে কৃষকরা নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছে। তাছাড়া কেশবপুরের মাটি বোরো ধান চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় অধিকাংশ কৃষকেরা আগাম বোরো ধান চাষ করে থাকে। কেউ কেউ আবার উচ্চ ফলশীল হাইব্রিড জাতের ধান চাষ করছে। যা প্রতি শতকে ৪০ থেকে ৪৫ কেজি ফলন হয়ে থাকে।

কেশবপুর উপজেলা কৃষি সত্রে জানা গেছে, আবহাওয়া অনুকুল থাকলে বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভবনা রয়েছে।

You May Also Like