উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কেশবপুরের ৫ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

কেশবপুর নিউজ ডেস্ক ||

কেশবপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৫ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নির্বাচনী আইনে, গণপ্রতিনিধিত্ব আইন ১৯৭২ অনুযায়ী কোন প্রার্থী যদি  নির্বাচনে প্রদত্ত (কাস্টিং ভোট) ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম অর্থাৎ ১২ দশমিক ৫ শতাংশের কম ভোট পায় তাহলে সেই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।

কেশবপুরের ১১ টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভার মোট ভোটার সংখ্যা ১ লক্ষ ৯৩ হাজার ৫শ ৫৯ জন। নির্বাচনে মোট ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন মাত্র ৮৬ হাজার ১শ ৫৫ জন ভোটার। শতকরা হিসেবে ৪৪ দশমিক ৫১ ভাগ। জামানত বাঁচাতে প্রতি প্রার্থীর ভোটের প্রয়োজন ছিলো ১০ হাজার ৭শ ৬৯ ভোট।

নির্বাচন অফিসের তথ্য অনুযায়ী কেশবপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে যে ৫ প্রার্থীর জামানাত বাজেয়াপ্ত হয়েছে তারা হলেন, চেয়ারম্যান পদে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রহমান লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫ শ ১৭ ভোট। ভাইস-চেয়ারম্যান পদে কেশবপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক এস. আর সাঈদ টিয়া পাখি  প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭ হাজার ৫৮ ভোট, আওয়ামীলীগের নেতা কবির হোসেন চশমা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন  ৮ হাজার ২শ ২৭ ভোট, এস. এম মাহাবুবুর রহমান উজ্জল মাইক প্রতীক নিয়ে ২ হাজার ৬শ ১৮ ও  হাবিবুর রহমান টিউবওয়েল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪ হাজার ৮শ ৭৭ ভোট।

উল্লেখ্য, ৩১ মার্চ  নির্বাচনে  নৌকার  বিপরীতে আনারস প্রতীক নিয়ে ১২ হাজার ১শ ৫১ ভোট বেশী পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন যশোর জেলা আওয়ামীলীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক ও কেশবপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম। গত দুই বারের উপজেলা চেয়ারম্যান এইচ, এম আমীর হোসেন নৌকা নিয়ে পান ৩৫ হাজার ৮শ ১৯ ভোট। ভাইস-চেয়ারম্যান পদে পলাশ মল্লিক পান ৪০ হাজার ৯শ ২৯ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আব্দুল লতিফ রানা পান ১৮ হাজার ১১৮ ভোট। মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে নাসিমা সাদেক ৪০ হাজার ৫৪১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বি রাবেয়া ইকবাল পান ৩৯ হাজার ৮৭৯ ভোট।

You May Also Like