কেশবপুরে রমজানের শুরুতেই পাকা কলা কেজিতে ২০ টাকা বৃদ্ধি ॥ ভোগান্তিতে ক্রেতারা

কেশবপুর নিউজ ডেস্ক ||

রমজান আসলেই রোজাদার ব্যক্তিদের কাছে পাকা কলা ও দুধের কদর বেড়ে যায়। বিশেষ করে অধিকাংশ রোজাদার ব্যক্তিরা সেহরীর সময় পাকা কলা দুধ দিয়ে খেয়ে খুব তৃপ্তি পায়। রোজাদার ব্যক্তিরা যেমন এটি খেয়ে তৃপ্তি পায় তেমনি কলা ব্যবসায়ীরাও এই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে ক্রেতাদের  জিম্মি করে তাদের কাছ থেকে লুফে নেয় অতিরিক্ত টাকা। অন্যান্য জায়গার মত কেশবপুরেও একই অবস্থা। এখানকার ক্রেতারাও এসব অসাধু ব্যবসায়ীদের কাছে ধরাশায়ী। বাজার মনিটারিং কমিটির দুর্বল ভূমিকার কারনে কেশবপুরের এই সমস্ত অসাধু ব্যবসায়ীরা তাদের ইচ্ছেমত কলার দাম হাকিয়ে যাচ্ছে। রোজার শুরুতে কেশবপুর শহরের কলার দোকানগুলোতে ঘুরে দেখা গেছে, প্রত্যেক দোকানে সাধারন ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়। তবে ফুটপথের কিছু কিছু দোকানে ভাল কলার পাশাপাশি আধা পচা কলা বিক্রি করতে দেখা যায়।

সাধারন ক্রেতাদের অভিযোগ, শুধু এ বছর না প্রতিবছর রমজান আসলেই কলার দাম বাড়ে। যে চাপা সবরি একদিন আগে কিনেছি ৩০ টাকায় সেই একই কলা এখন বাধ্য হয়ে  কিনতে হচ্ছে ৫০ টাকায়। দুধ সাগর বিক্রি হয়েছে ৪০ টাকা, রমজানে তা এখন বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। রোজার আগে ব্যবসায়ীরা ক্রেতাদেরকে ডেকে ডেকে কলা  বিক্রি করত এখন সাধা তো দূরের কথা দোকানদারদের একটাই কথা, এক দাম নিলে নেও।

নিম্ন আয়ের অনেকেই দাম কম পেয়ে আধা পচা কলা কিনে নিয়ে যাচ্ছে। বাজার মনিটারিং কমিটির দুর্বল ভূমিকার কারনে কেশবপুরে এই সব অসাধু ব্যবসায়ীরা তাদের ইচ্ছেমত ক্রেতাদেরকে জিম্মি করে বেশী দামে কলা কিনতে বাধ্য করছে। যদি প্রতিদিন বাজার মনিটারিং করা হতো বা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতো তাহলে ব্যবসায়ীরা হঠাৎ করে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সাহস পেত না। রমজানে দ্রব্যমূলি বৃদ্ধির পিছনে বাজার মনিটারিং কমিটির গোপন হাত রয়েছে বলে অনেক ক্রেতাদের অভিযোগ।

মুল্যবৃদ্ধির ব্যাপারে এক  কলা বিক্রেতার সাথে কথা হলে তারা বলেন, চাহিদার তুলনায় কলা কম তাই বাধ্য হয়ে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

আরেক ব্যাপারি বলেন, বোঝেন তো এটা রমজান মাস, এত খরিদ্দার অন্য মাসে পাওয়া যায় না, তাছাড়া সামনে ঈদ, অনেক খরচ, একটু পুষিয়ে নিই।

মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য  নিয়ন্ত্রণে রাখতে সার্বক্ষণিক বাজারে মনিটারিং সেল রাখার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

You May Also Like