কেশবপুরের আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাস্তায় ভবন নির্মানের চেষ্টা

কেশবপুর নিউজ ডেস্ক ||

কেশবপুরের ভালুকঘরে এক প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চলাচলের রাস্তা দখল করে ভবন নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায়  উভয় পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা রয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ভালুকঘর গ্রামের ফয়েজ গাজীর মৃত্যুর পর তার ৬ ছেলে আপোষ মতে প্রত্যেকে ১ ফুট করে মোট ০৬ ফুট জমি রাস্তার জন্য বরাদ্ধ রেখে বাকী জমি বিভাগ বন্টন করে বসতবাড়ী নির্মাণ করে সেখানে শান্তিপূর্নভাবে বসবাস করে আসছে। বিভাগ বন্টন মেনে নিয়ে বিগত ১৫ বছর যাবৎ উক্ত পথ দিয়ে ছয় ভাইয়ের পরিবারসহ এলাকাবাসী বাঁধাহীনভাবে চলাচল করে আসছে। সম্প্রতি ফয়েজ গাজীর এক ছেলে বরকত গাজী, ছেলে মনিরুল ও শহিনুর উক্ত চলাচলের রাস্তা দখল করে পাকা ঘর নির্মান কাজ শুরু করে। উক্ত নির্মান কাজ বন্ধে বরকত গাজী ও  তার দুই ছেলের বিরুদ্ধে ভাই আকবার গাজী গত ১৫ এপ্রিল-১৯ যশোর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি ১৪৪ ধারার মামলা করেন। যার মামলা নং-পি-৩৮৬/১৯। আদালতের নির্দেশে কেশবপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে ডেকে শান্তি শৃংখলা বজায় রাখতে ঐ স্থানে ১৪৪ ধারা জারি করেন।

এ দিকে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে বিবাদী বরকত গাজী গং পুনরায় ভবন ঢালাইয়ের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করায় উভয়ের মধ্যে টান-টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। কাজ শুরু করলে যে কোন সময় উভয়ের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা করছে এলাকাবাসী।

এ ব্যাপারে আকবর গাজী জানান, প্রশাসনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাস্তা বরাবর উপরের সকল স্থাপনা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যাতে জনসাধারনের যাতায়াতে কোন প্রকার বাঁধাগ্রস্থ না হয়।

অপর দিকে বরকত গাজী বলেন, ভবনের যে অংশে আদালত ১৪৪ ধারা জারি করেছে, সেখানে কাজ বন্ধ রয়েছে। বাদী পক্ষ সম্পূর্ন গায়ের জোরে তাদের ভবন ঢালাইয়ের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। এতে আমরা আর্থিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি।

এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার উপপরিদর্শক কামরুজ্জামান বলেন, আদালতের নির্দেশে ঐ স্থানে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

You May Also Like