কেশবপুরে বাড়িতে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়ায় ৪ পরিবার অবরুদ্ধ

কেশবপুর নিউজ ডেস্ক ||

যশোরের কেশবপুর উপজেলার বেতীখোলা গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষরা রাস্তা বন্ধ করে দেয়ায় দীর্ঘ ৩ মাস ধরে ৪ পরিবারের ৩০ জন অবরুদ্ধ জীবন যাপন করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার না পেয়ে পরিবারগুলি হতাশ হয়ে পড়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বেতীখোলা গ্রামের এরশাদ আলী মোড়লের ছেলে ভাঙ্গাড়ী ব্যবসায়ী জালাল মোড়লের সাথে প্রতিবেশী শের আলী ও জোহর আলীগংদের বসত ভিটার জমি নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধ নিরসনে জালাল মোড়ল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করলে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যে কেশবপুর থানার ওসির কাছে রেফার করেন। ওসির নির্দেশে থানার এসআই ফকির ফেরদৌস সরেজমিনে তদন্ত গিয়ে উভয়ের বিরোধ মিমাংসায় ব্যর্থ হলে দুপক্ষই মুখোমুখি অবস্থান নেয়। এরই জের ধরে এলাকার মাতব্বর সবুর মোল্যার নির্দেশে জোহর আলী মোড়ল ও শের আলী মোড়ল গোয়াল ঘর, রান্না ঘর করে পথ বন্ধ করে দিলে জালাল মোড়ল, জলিল মোড়ল, আলি মোড়ল ও ইদ্রিস মোড়লের পরিবার  অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে।

এদিকে, বর্তমান জোহর আলী মোড়ল ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে একের পর এক বিভিন্ন হামলা মামলায় জড়িয়ে পরিবারগুলিকে হয়রানি করে চলেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৯ এপ্রিল জোহর আলী মোড়ল বাদি হয়ে জালাল মোড়ল ও ইদ্রিস মোড়লকে বিবাদি করে যশোর বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নন এফআইআর মামলাসহ ও থানায় জিডি করে হয়রানি অব্যাহত রেখেছেন। যার নং- ৮৬৬। ফলে ওই ৪ পরিবারের ছেলে মেয়েদের লেখাপড়াসহ ফসল, বাজার সওদা আনা নেয়ায় সিমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিষয়টি নিরসনে ক্ষতিগ্রস্থরা সংশ্লিষ্ট ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ ব্যাপারে জহোর আলী মোড়ল বলেন, পূর্বে থেকে তারা আমার জমির ওপর দিয়ে যাতায়াত করতো। সাংসারিক প্রয়োজনে ঘর করা হয়েছে।

থানার এসআই ফকির ফেরদৌস বলেন, বসতভিটার জমি মাপযোখ করে বিষয়টি নিরসন করার চেষ্টা করা হয়েছে।

You May Also Like