এক নজরে কেশবপুর উপজেলা

কেশবপুর উপজেলা বাংলাদেশের যশোর জেলার অন্তর্গত একটি প্রশাসনিক এলাকা।

নামকরণের ইতিহাসঃ কেশবপুর উপজেলার নাম করণের সঠিক তথ্য জানা যায় নাই। তবে জনশ্রুতি আছে যে, কেশবচন্দ্র নামে একজন জমিদার অত্র এলাকায় বাস করতেন,তারই নাম অনুসারে অত্র উপজেলার নাম করণ করা হয় কেশবপুর।

ভৌগলিক অবস্থানঃ (অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ)২২)/৪৮ ও ২২­৫৭ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.২২ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ নিয়ে এ উপজেলা।

সীমানাঃ উত্তরে মনিরামপুর  উপজেলা, পূর্বে অভয়নগর  উপজেলা, দক্ষিণে ডুমুরিয়া উপজেলা এবং পশ্চিমে কলারোয়া উপজেলা।

উপজেলা প্রতিষ্ঠাকালঃ ১৫ ডিসেম্বর ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দ

থানা প্রতিষ্ঠাকালঃ ১৫ ডিসেম্বর ১৯৮২ খ্রিস্টাব্দ

জেলা সদর হতে দূরত্বঃ ৩৩ কি:মি:

আয়তনঃ ২৫৮.৫৩ বর্গ কিলোমিটার

জনসংখ্যাঃ ২,৫৩,২৯১ জন (প্রায়), পুরুষ ১,২৬,৬৫৬ জন (প্রায়) ও মহিলা ১,২৬,৬৩৫ জন (প্রায়)

লোক সংখ্যার ঘনত্বঃ ৮,৭৫ (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে)

বাৎসরিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারঃ ১.২৩%

মোট ভোটার সংখ্যাঃ ১.৭৪,৩৩৫ জন

মোট পরিবারঃ ৬২,৩০৯ টি

নির্বাচনী এলাকাঃ ৯০ যশোর-৬(কেশবপুর)

মৌজাঃ ১৪২ টি

গ্রামঃ ১৪৪ টি

পৌরসভাঃ ০১ টি

এতিমখানা সরকারীঃ ০৫ টি

এতিমখানা বে-সরকারীঃ ০১টি

মসজিদঃ ৫৩৫ টি

মন্দিরঃ ১৯৫টি

নদ-নদীঃ ৫টি (১.কপোতাক্ষ, ২.হরিহর, ৩.বুড়িভদ্রা ৪. শ্রীনদী, ৫. ভদ্রা নদী)

হাট-বাজারঃ ২৪ টি

ব্যাংক শাখাঃ ০৭ টি

পোস্ট অফিস/সাব পোঃ অফিসঃ ২৩ টি

টেলিফোন এক্সচেঞ্জঃ ০১ টি

ক্ষুদ্র কুটির শিল্পঃ ৮৭৭ টি

বধ্যভূমির সংখ্যা ও নামঃ ১টি মংগলকোট

বীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যাঃ ১১০ জন

ঐতিহাসিক স্থানসমূহের নামঃ সাগরদাঁড়ী, রাজবাড়ী, খাঞ্জালীর দীঘি, ভরতের দেউল, শেখপুরা মসজিদ এবং মির্জানগর হাম্মাম খানা।

ঐতিহাসিক/বিখ্যাত ব্যাক্তিত্বের নামঃ মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত, কবি মান কুমারী বসু, ধীরাজ ভট্রাচার্স, মনোজ বসু।

ঐতিহাসিক প্রত্নতত্ব সম্পদের নাম ও স্থানঃ সাগরদাঁড়ী রাজবাড়ী এবং ভরত ভায়নার দেউল।

অতিতের রাজা /জমিদারগণের নামঃ রাজা রাজ নারায়ণ দত্ত

সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ১৫২ টি

কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ০৪ টি

নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ঃ ১১ টি

মাধ্যমিক বিদ্যালয়ঃ ৫০ টি

দাখিল মাদ্রাসাঃ ৪২ টি

আলিম মাদ্রাসাঃ ০৭ টি

ফাজিল মাদ্রাসাঃ ০৫ টি

কামিল মাদ্রাসাঃ ০১ টি

কলেজঃ ০৯ টি

কলেজ(বালিকা): ০২ টি

শিক্ষার হারঃ ৬৫%

 

 

 

তথ্যসূত্রঃ কেশবপুুর উপজেলার ওয়েবসাইট